জটিল একটা টুলস !!! এখনই ডাউনলোড করে নিন…।

আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে বিভিন্ন ফাইল/ফোল্ডার/ডকুমেন্ট/ছবি/অডিও-ভিডিও খুঁজতে গেলে সাধারনত সকলেই অপারেটিং সিস্টেমের ডিফল্ট সার্চ অপশন ব্যবহার করে থাকেন…এতে সময় খরচ হয় বেশি এবং কোন কোন সময় ফোল্ডার লোকেশন Define করে দিতে হয় আবার ব্যর্থ হলে Advance Search দিতে হয়। এ সকল ঝামেলা এড়িয়ে খুব সহজেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলের লোকেশন খুঁজে ;এতে পারেন নিচের এই ছোট্ট কিন্তু অতি কাজের একটি টুলস দিয়ে…তাই দেরি না করে চটপট ক্লিক করুন ও ডাউনলোড এবং ইন্সটল করে এর কেরামতি দেখুন…স্ক্রিনশট ভিতরে দেয়া আছে…এবং মিডিয়াফায়ার লিঙ্ক দিলাম। Enjoy….

http://www.mediafire.com/?me591mecsgy3bu8

কৃতজ্ঞতা : ডাঃ সেলিম আল মামুন

রবি সহ এরকম প্রতারক চক্র সম্বন্ধে জানুন, সচেতন হউন

এই লেখাটি কাউকে ছোট বা বড় করা, কিংবা কারো কৃতিত্বকে খাটো করে দেখানোর জন্য নয়, বরং সংশ্লিষ্ট কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান গুলোর দুর্নীতি ও প্রতারনার মাধ্যমে সরল মানুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা জানানোর জন্য। লেখাটি আমার ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে লিখলেও যাতে এই লেখাটি পড়ে মানুষ সচেতন হতে পারে এবং এই ধরনের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা পায়,সেজন্য লিখা।

বেশ কয়েকবছর থেকেই ইন্টারনেট ইউজ করি। দেড় বছর আগে প্রথম একটা থ্রিজি মডেম ( মবিডাটা ব্র্যান্ডের ) কিনি, সেটাতে  নতুন কেনা একটা ইন্টারনেট সিম (গ্রামীণের) দিয়ে নেট চালাতাম। কয়েকমাস পর বাংলালায়ন ওয়াইম্যাক্স  এর একটা ( প্রিপেইড ) মডেম দিয়ে খুব সাচ্ছন্দে নেট ইউজ শুরু করি। বাংলালায়নকে খুব পছন্দ হয়ে যায়, তাই এখনও এটাতেই আছি। মাঝে দুএক মাস গ্রামীণের ‘তথাকথিত’ আনলিমিটেড প্যাকেজ ইউজ করেছি, তবে হতাশ হয়েছি এর মাত্র ৫ জিবি ইউসেজ লিমিট আর অতি উচ্চ মুল্যের কারনে ( মাসিক বিল প্রায় ১ হাজার টাকা ! ) এর পর থেকে আমার ভ্রান্ত ধারনা হয়েছিল যে, বাংলাদেশের কোন মোবাইল কোম্পানিও আনলিমিটেড ইন্টারনেট সেবা দিতে পারেনা/দেয়না এমনকি ওয়াইম্যাক্স কোম্পানিগুলোও । তারা শর্ত প্রযোজ্যের নাম করে হয়ত একটি নির্দিষ্ট মাসিক ইউজেস লিমিট দিয়ে দেয়, তবে আমার ধারণাটা সম্পূর্ণ ভুল ছিল, পরে ভালভাবে খোঁজ নিয়ে জানলাম যে, মোবাইল কোম্পানিগুলোর মধ্যে রবি ( সাবেক একটেল ) এবং সকল ওয়াইম্যাক্স কোম্পানিই ‘সত্যিকারের’ আনলিমিটেড ইন্টারনেট সেবা দিয়ে থাকে। বাংলালিংক এর কথা সঠিক জানিনা। আমার পরিচিত অনেকেই এসব আনলিমিটেড প্যাকেজ বহুদিন থেকেই ইউজ করে আসছে, এসব জেনে আমারও কয়েকমাস ‘সত্যিকারের’ আনলিমিটেড প্যাকেজ নিতে ইচ্ছা করল।

খোঁজ নিয়ে দেখলাম, বাংলালায়নে নিলে মাসিক খরচ পড়বে প্রায় ১৪৫০ টাকা, অপরদিকে রবি নিলে খরচ পড়বে প্রায় ৯০০ টাকা , সেক্ষেত্রে নতুন একটা রবি পোস্টপেইড সিম কিনতে হবে ৩০০ টাকা দিয়ে আবার সাথে ৫০০ টাকা সিকিউরিটি মানি জমা দিতে হবে। রবি সেবা (রবি কাস্টমার কেয়ারের বাংলা নামকরন) তে গিয়ে একটা খুশির খবর শুনলাম, নতুন গ্রাহকদের জন্য প্রথম ৬ মাস মাসিক বিল দিতে হবে মাত্র ৪৯০ টাকা করে, ৭ম মাস থেকে প্রায় ৯০০ টাকা করে দিতে হবে। তাই বেশি কিছু না ভেবেই এ মাসের ১৩ তারিখেই প্যাকেজটা কিনে ফেললাম। একদিন পর সিম ও লাইন একটিভ হবার পর খুলে দেখি চক্ষু চড়কগাছ !! একেবারে মাথায় হাত !!! লাইনের একি বাজে অবস্থা !!! মডেম কানেক্ট নিচ্ছেনা, নিলেও নেটওয়ার্ক সিগন্যাল বার মাত্র ২ বা কখনও ৩ টা।

মবিডাটা মডেমটা চেঞ্জ করে একটা হেম মডেম দিয়ে চেষ্টা করলাম, একই ফলাফল। একটা পেজ লোড হতে প্রচুর সময় লাগছে, ওই পেজে পরবর্তীতে কোন কমান্ড দিলে ( ক্লিক করলে ) ব্ল্যাঙ্ক পেজে দেখাচ্ছে The Webpage is not availabe  অর্থাৎ ভেরি স্লো কানেকশন।

এরপর কয়েকবার রবি সেবায় গেলাম, তারা তাদের কম্পিউটার ডাটাবেজ দেখে বলল লাইন ঠিক আছে, আমি স্পীড পরীক্ষা করে দেখতে বললাম, তারা বলল এখানে এটা সম্ভব না । পরে আরও একদিন গেলাম , তারা বলল ঢাকাতে কমপ্লেন পাঠাচ্ছি, আপনাকে কিছুদিনের মধ্যে ঢাকা থেকে ফোন করবে। উল্লেখ্য, সেদিন ছিল ১৮ তারিখ অর্থাৎ ঈদের ২ দিন আগে, আমি জানতে চাইলাম ঈদে আপনাদের ছুটি কয়দিন, তারা বলল সরকারি ছুটির মতই ৩ দিন। আমি হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরলাম, ভাবলাম হায়রে শখের আনলিমিটেড ইন্টারনেট ! ৫ দিন হয়ে গেল কেনার পর, সামনে মাসের ১০ তারিখে ১ মাসের মেয়াদ পূর্ণ হয়ে যাবে , ৫০০ টাকা সিকিউরিটি মানির মধ্যে থেকে ৪৮২ টাকা ঠিকই রবি কেটে নিবে অথচ আমি কোনরকম ব্রাউজিংই করতে পারছিনা, ডাউনলোড তো দূরে থাক। বাসায় এসে রবির ওয়েবসাইট এ রবি সমাধান এ নিজেই নিজের কমপ্লেইন সাবমিট করলাম, অতিরিক্ত হিসেবে তাদের সিমের সাথে দেয়া মেইল অ্যাড্রেস একই রকম একটা মেইল পাঠালাম।

এর মধ্যে একদিন একটা ডাউনলোড দিলাম, শুরু হল স্লো ডাউনলোড স্পীড দিয়ে, কয়েক মিনিট পর Cannot Find Server মেসেজ দিয়ে ডাউনলোড বন্ধ হয়ে গেল। উল্লেখ্য, আমি বাস করি রাজশাহী শহরের সাগরপাড়া নামক এক জায়গায়, যেটা রাজশাহী শহরের প্রাণকেন্দ্র সাহেব বাজারের এবং রবি সেবার বিল্ডিং থেকে কয়েকশ গজ উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত। আমার বাসায় বাংলালায়ন এর ফুল নেটওয়ার্ক থাকে, গ্রামীণেরও তাই। অথচ রবি নিয়ে জ্বলে উঠার আগেই মনে হয় সব কিছু নিভে গেল……!

এর মধ্যে একদিন আমি আমার কর্মস্থল মান্দা, নওগাঁর প্রসাদপুরে গেলাম, ওমা ! ওখানে গিয়ে দেখি মডেম কাজ করছে , নেটওয়ার্ক ভাল পাচ্ছে, স্বাভাবিক ভাবে পেজ ওপেন হচ্ছে, কয়েকটা ডাউনলোড দিলাম, দেখলাম মোটামুটি একটা স্পীডে ডাউনলোড  হচ্ছে ( যদিও যেরকম স্পীডের কথা শুনেছিলাম একজনার কাছ থেকে,সেরকম না ) । তারপরও মনে মনে খুশি হলাম, যাক লাইনটা মনে হয় ঠিক করে দিয়েছে ! যেই ভাবা সেই কাজ, প্রায় ৩ ঘণ্টা পর দেখলাম লাইন কেটে গেছে, ডাউনলোড বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পরে আরেকবার ডাউনলোড দিলাম, ওই একই ফল ৩ ঘণ্টার আশেপাশে সময় হলেই আর সার্ভার পাচ্ছেনা। ২ দিন পর বাসায় এসে টেস্ট করলাম, দেখলাম সিমের/লাইনের অবস্থা মুমূর্ষু , কোন রেসপন্স নাই। পরের দিন আবার কাস্টমার কেয়ারে গেলাম, তারা দুঃখিত হয়ে বলল এর বেশি তাদের আর কিছুই করার নাই, ঢাকা থেকে এটা ঠিক করে দিবে…। আর অভিযোগ করার পর ১১ দিন অতিবাহিত হলেও তথাকথিত সেই ঢাকার ফোন কল আজও আসেনি। এই হল আপন শক্তিতে রবির জ্বলে ওঠার গল্প ( মানুষের সাথে ধাপ্পাবাজি করে )।

তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি লাইনটা বন্ধ করে নিব, আর সবাইকে ব্যাপারটা জানাব। ৮০০ টাকা আর সাথে দৌড়াদৌড়ী তো সম্পূর্ণ বৃথা গেছেই গেছে, আর যাতে কারো ভোগান্তি না হয় সেজন্য কষ্ট করে এই লেখাটি লিখেছি।

এবার আসল কথায় তথা সারমর্মে আসা যাক। আমার এরকম আরও দুএকটা তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে (আমার ব্লগে পূর্বের লেখাটি নকিয়া কেয়ার নিয়ে) সবাই হয়ত লেখাগুলো পড়বেন আর মনে মনে বলবেন শুধু আমার ক্ষেত্রেই এসব ধোঁকাবাজি হচ্ছে, কিন্তু চিন্তা করে দেখবেন আপনি বা আপনার মত অনেকেই এরকম প্রতারণার শিকার হতে পারেন। কারন বর্তমান দেশ,সমাজ বা পৃথিবী যাইই বলুন না কেন সকল জায়গাতেই প্রায় সকল পেশায়, প্রায় সকল ক্ষেত্রেই দুর্নীতি আর ধাপ্পাবাজি প্রবেশ করেছে। ‘প্রচারেই প্রসার’ এই মূলনীতিকে সামনে নিয়ে ভাল মন্দ সবাই নিজেদের ঢাক পিটিয়ে যাচ্ছে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে। কারন এসব বিজ্ঞাপন দেয়া অনেক সহজ হয়ে গেছে গণমাধ্যম, ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও টেকনোলোজির ব্যাপক উন্নতি ও সহজলভ্যতার কারনে। ভিতরে যাইই থাকুক আর না থাকুক, রঙ্গিন প্রলোভনে আকৃষ্ট হয়ে কতশত মানুষ সর্বস্বান্ত হচ্ছে তার ইয়ত্তা নেই। খাদ্যদ্রব্য,ভোগ্যপন্য, ওষুধ, চিকিৎসা সেবা ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান, ইলেক্ট্রনিক্স, ইন্টারনেট সেবা ইত্যাদি ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই একই অবস্থা।এসবের মধ্যে কিন্তু ভাল জিনিষেরও বিজ্ঞাপন আছে, কিন্তু কোনটা ভাল, কোনটা খারাপ , কোনটা আসল আর কোনটাই বা নকল তা বুঝতে আসলে মানুষ দ্বিধাবিভক্ত হয়ে যায়।

তাই সকলকে সচেতন থাকতে হবে, কোন কিছু গ্রহণ/ক্রয়ের পূর্বে একটু খোঁজ খবর বা পরখ করে নেয়া উচিত। ইন্টারনেট সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রেও একই কথার সঙ্গে আরও বলব, আপনি যেখানে বসবাস করেন সেখানে,যে মোবাইল কোম্পানির ইন্টারনেট ইউজ করতে চান তার ফুল নেটওয়ার্ক আছে কিনা সেটা পরখ করুন এবং সেই কোম্পানির সিমে ১৫ বা ২০ মেগাবাইটের একটা শর্ট প্যাকেজ নিয়ে ব্রাউজ এবং ছোট কিছু ডাউনলোড করে এর সার্ভিসটা দেখে নিন। ইন্টারনেট কানেকশান একাধিক ঘণ্টা চালু রেখে এসব দেখা উচিত কেননা অনেক সময় দেখা যায় ভাল চলতে চলতে কয়েক ঘণ্টা পর নেট কানেকশান আর থাকেনা বা সার্ভার পায়না। আপনার এলাকায় যদি বাংলালায়ন,কিউবি,ওলো বা এজাতীয় ওয়াইম্যাক্স সার্ভিস থাকে এবং আপনার বাসস্থানে তার ভাল নেটওয়ার্ক থাকে তবে চোখ বুজে কোন কিছুর দিকে না হাত বাড়িয়ে ওয়াইম্যাক্স কানেকশান নিয়ে নিন। স্পীড,অর্থসাশ্রয়সহ সব দিক দিয়ে আপনি বহুগুন লাভবান হবেন ( বিশেষ করে বাংলালায়ন নিলে )।

আর যদি এগুলোর সার্ভিস না থাকে তবে আমার মনে হয় গ্রামীণফোনের মডেম কেনা উচিত কারন দেশের সব জায়গায় এর নেটওয়ার্ক আছে ( পার্বত্য তিন জেলাতে একটু ব্যাতিক্রম )। অন্যান্য মোবাইল কোম্পানিরও ইন্টারনেট সেবা নিতে পারেন তবে তা অবশ্যই উপরিউক্ত নিয়মে পরীক্ষা করার পর। মডেমের ক্ষেত্রে একটা কথা বলতে চাই, শুধুমাত্র গ্রামীণফোন বিল্ট ইন মডেম বিক্রি করে করে ( Huwei ব্র্যান্ডের ) , যেটা খুব ভাল সার্ভিস দেয় [ যদিও দুএকটা মডেম এ সমস্যা দেখা দেয় ], কানেকশান ঠিক থাকে, কাটেনা, ডাউনলোড স্পীডও প্রায় স্ট্যাটিক থাকে এবং এই মডেমে গ্রামীণফোন ইন্টারনেট এর ডিফল্ট কনফিগারেশন করা থাকে । কিন্তু অন্যান্য থ্রিজি মডেমে ( যেমন, Mobidata, Hame  প্রভৃতি ব্র্যান্ডের ) ক্ষেত্রে তা থাকেনা, যেকোনো সিম সাপোর্ট করে , তবে এগুলো প্রায়ই ঝামেলা করে যেমন স্লো স্পীড, নো কানেকশান, ডিসকানেক্ট হয়ে যাওয়া প্রভৃতি। তাই এসব বিবেচনা করে দেখা যায়, গ্রামীণের বিল্ট ইন মডেমই নেয়া শ্রেয়।

আর হ্যাঁ একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা, কোন জিনিস ‘সেকেন্ডহ্যান্ড’ কিনবেন না। যাই হোক, অনেক কথা হল, আমার এই লেখাটি ধৈর্য ধরে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, ভাল বা মন্দ যাইই লাগুক  মন্তব্য করুন… ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন আর এই কথাগুলো সুযোগ হলে সকলের মাঝে শেয়ার করুন।

ধন্যবাদ সকলকে, হ্যাপি ব্রাউজিং ।

এদের মুখোশ খুলে দিন, না বলুন, সোচ্চার হউন……

আমাদের অনেকেরই প্রিয় মোবাইল ফোনের ব্র্যান্ড হচ্ছে নকিয়া। আমিও অনেক শখ করে ২ বছর  আগে কিনেছিলাম নকিয়া N 82 সেটটি। আপনারা হয়ত অনেকেই জানেন, এটি একটি সিম্বিয়ান ঘরানার সেট , যদিও ভার্সনটা আগের কিন্তু এর ৫ মেগা পিক্সেলের যে ক্যামেরা আছে ( জেনন ফ্ল্যাশ যুক্ত ) তা দিয়ে দিনে, রাতে এমনকি নিকষ কাল আঁধারেও খুব সুন্দর ছবি তোলা যায়, সঙ্গে এর Mp3 Player  টাও ভাল। এসব কারনে ফোনটা আমার অনেক প্রিয় ছিল।

যাইহোক,  সবই সুন্দর চলছিল,  কিন্তু বিগত ৪-৫ আগে হঠাৎ একদিন ফোনটার ক্যামেরা ইন্টারফেসটা আপনা আপনি চালু হয়ে গেল, আবার একটু পরেই এমনি এমনি সেটা বন্ধ হয়ে গেল, অথচ আমি ক্যামেরার শাটারটা একটুও স্পর্শ করিনি।  নেটে নকিয়া বাংলাদেশে সমস্যার কথা জানিয়ে মেইল করলাম, তারা পরদিনই ফোন করল, ১ দিন পর আবার ফোন করল, যার সারাংশ হল, আমাকে সেটের সফটওয়্যার আপডেট করলাম, কোন কাজ হলনা। এটা তাদের জানালাম, তারা বলল নিকটস্থ নকিয়া কেয়ারে যেতে, যদি কাজ না হয় তবে তাদের মাধ্যমে ঢাকার যেকোনো নকিয়া সার্ভিস সেন্টারে রেফার করতে। অনেক খোঁজ নেবার পর রাজশাহী  নিউ মার্কেটের একজন ভাল  সার্ভিস সেন্টারে গেলাম, ২০০ টাকা নিল, ১ দিন পর সেই একই সমস্যা। অবশেষে নিরুপায় হয়ে নকিয়া কেয়ারের দ্বারস্থ হলাম ।

 

 

গিয়ে প্রথমেই শুনলাম একগাদা শর্তাবলী , প্রথমত যেহেতু এটার Warranty শেষ হয়ে গিয়েছে সুতরাং এটা সার্ভিসিং করতে গিয়ে ফোন নষ্ট হলে তারা দায়ী থাকবেন না, দ্বিতীয়ত যদি এটা ঠিক করতে না পারে তবে সেটা তাদের কাছ হতে ১১৫ টাকা ( মিনিমাম চার্জ ) দিয়ে ফেরত নিতে হবে, যদি এটার সমাধান করতে পারে তবে ১১৫০ টাকা লাগবে , আর যদি কোন যন্ত্রাংশ অতিরিক্ত লাগাতে বা বদলাতে হয় তবে তার জন্য অতিরিক্ত  চার্জ দিতে হবে, কিন্তু কিসের সমস্যার কারনে এরকম হচ্ছে সেটার কোন উত্তর দিতে পারলনা ।  জিজ্ঞাসা করলাম এত চার্জ কেন ? জবাবে বলল বড় বা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের যেমন ভিজিট বেশি, আমাদেরও চার্জ বেশি । যাইহোক, সব কিছু মেনে নিয়ে সেট টা দিলাম , ১০ দিন পর তারা আমাকে ফোন করে জানালো যে এটা মেরামত করা যাবেনা/ ঠিক হবেনা, এসে  ১১৫ টাকা দিয়ে সেটটা ফেরত নিয়ে যান, শুনে তো মন খারাপ হল, তখন ঢাকার কথা মনে হল, তাদেরকে এটা ঢাকার ভাল   কোন শাখায় দেখিয়ে নিতে অনুরোধ করলাম, তখন তারা রাজি হল । এর ১৪ দিন পর ফোন এল সেটটা ঢাকা থেকে ঠিক হয়ে ফিরেছে, মনে মনে খুব আনন্দিত হলাম, সেন্টারে গিয়ে শুনলাম সফটওয়্যার আপডেট ( অথচ আমার ফোনের সফটওয়্যার আপ টু ডেট ছিল ), সার্ভিসিং ও ক্যামেরার একটি যন্ত্রাংশ রিপ্লেস ( ৬০০ টাকা ) সহ মোট ১৭৫০ টাকা চার্জ লাগবে । কোনরূপ দ্বিধা ছাড়াই টাকাটা দিয়ে দিলাম ।

বাসায় গিয়ে রাত্রে দেখলাম ফোনটা খুলে কাজ করার পর ওটা লাগানোর সময় ঠিক মত সেট করেনি, ফলে কি প্যাডের বাটন একদিকে ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে, আবার কাভারের ডিসপ্লের নিচে অনেক ধুলা ময়লা লেগে আছে, কাজ করার সময় একটু পরিষ্কারও করেনি বরং আর ধুলা ঢুকিয়েছে, আবার ডিসপ্লের কাঁচটায়  অনেক স্ক্রাচ পড়ে গেছে, মনে হচ্ছে সেটাতে কেও শক্ত কিছু দিয়ে ঘষেছে। সব চেয়ে দুঃখ ও রাগের বিষয় হচ্ছে আসল সমস্যার সমাধানই হয়নি, একটু পর লক্ষ্য করলাম ক্যামেরার ওই সমস্যা আবার শুরু হল। পরের দিন যথারীতি ওদের কাছে গিয়ে কমপ্লেইন করলাম, ওরা বলল, ডিসপ্লে আর কিপ্যাডের বিষয়টা মামুলি, এটা অনেক সময় হতে পারে। আসল সমস্যার ব্যাপারটা তারা আবার দেখবে বলল ও দুঃখ প্রকাশ করল। আবারো ২ সপ্তাহ সময় নিল । বলল আমাদের এই সেন্টারের সব চাইতে বড় ইঞ্জিনিয়ার ( পরে শুনলাম উনি রাজশাহীর একটা বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটে মাস্টার্স বা এজাতীয় কোন কোর্স করছেন) ব্যাপারটা নিজে দেখবেন , ঠিক করে নিজে কিছুদিন ব্যবহার করবেন ফলো আপের জন্য । ১৫-২০ দিন পর আমি ফোন দিলাম, বলল ঠিক হয়ে গেছে, নিয়ে যান। যথারীতি বাসায় গিয়ে একদিন পর দেখলাম কিপ্যাড, ঠিক হয়েছে, ডিসপ্লে ও সমস্যা আগের মতই রয়ে গেছে। এখন আপনারাই বলুন , এত কিছু ঘটার পর কার মেজাজ ভাল থাকে। এর মাঝে আমি রাজশাহীর বাইরে এক কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম বিধায় ওখানে আর যেতে পারিনি। গতদিন ওদের অফিসে ফোন করেছিলাম, বলেছে ব্যাপারটা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে আমাকে ফোন দিবে, আজ পর্যন্ত দেয়নি।  

আমার মত হয়ত অনেকেই এভাবে এদের নিকট হতে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন। ক্ষুদ্র জ্ঞানে আমার মতামত হচ্ছে , তারা যেভাবে নিজেদেরকে সবার সামনে গর্বভরে প্রচার করে, এসব সাইনবোর্ড ও সুনাম ব্যবহার করে জনগণের নিকট হতে অযৌক্তিক ভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করে যাচ্ছে, অথচ কাজের বেলায় সাধারন মানেরও নিচে কাজ করছে, তাই সুষ্ঠু জবাবদিহিতা থাকতে হবে ও এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। আসুন আমরা নকিয়া কেয়ার নামক এসব ব্যবসা কেন্দ্রকে বর্জন করি এবং আমাদের আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও পরিচিতদেরকে নকিয়া কেয়ারের ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করি।        

ফায়ারফক্সে ওয়েব অটো ট্রান্সলেশন

সকলকে শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম । আমার এই লেখাটি অতি ক্ষুদ্র একটি প্রয়াস। পূর্বে এই জাতীয় কোন পোস্ট কেও পড়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী কারন এটা শুধুই আমার নিজস্ব কৌতূহলের ফসল।

আমি জানি  ফোরামের নিয়মিত লেখকরা কম্পিউটার প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রচুর জানেন। আমার এই লেখাটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে মনে হয় অনেকেই অবগত আছেন, তবুও শুধু কৌতূহলের কারনেই লিখছি।
আমরা বিভিন্ন প্রয়োজনে ইন্টারনেট এ বিভিন্ন ভাষার ওয়েবসাইট এ ঢুকে থাকি, কিন্তু সেই সাইট এর লেখাগুলো বুঝতে পারিনা বিধায় অনেক জরুরী ডাটা সেখান থেকে নিতে পারিনা। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে Google Chrome কে আপনার ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার করা, এই ব্রাউজার এর মাধ্যমে কোন বিদেশি ভাষার website (যেমন Arabic বা অন্যান্য ভাষা) এ ঢুকলে ব্রাউজার Language Auto detection এর মাধ্যমে সেটা English এ Automatically ট্রান্সলেট করে দিবে, এটা দেখা যাবে webpage টির একেবারে উপরের দিকে, টুলবারে ।
কিন্তু যারা Mozilla Firefox ব্যবহার করতে পছন্দ করেন তারা web translation এর  বিভিন্ন Add-ons ব্যবহার করতে পারেন যেমন, I’m Translator, Foxlingo প্রভৃতি ( এগুলো Mozilla Firefox menu র  Tools> Add-onns অপশন থেকে ব্রাউজার এ Add করতে পারবেন ) ।
কিন্তু এই Add-ons গুলো ব্যবহার করা বেশ ঝামেলাপূর্ণ ও সময়সাপেক্ষ। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনি Google Translate Toolbar ব্যবহার করতে পারেন।

আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজার থেকে   লিঙ্কে গেলে এই টুলবারটি  ( 2.5 MB ) Install করার অপশন দেখতে পাবেন, এখন এটা ইন্সটল করে ফায়ারফক্স Restart করলেই কাজ শেষ।

এখন আপনি উদাহরণস্বরূপ http://www.doniasoft.com এ যান…কি পরিবর্তন চোখে পড়ছেতো ?

 

শুধু এটাই না , আপনি নতুন একটা Tab খুলুন, সেটাতে দেখাবে আপনি recently কোন কোন সাইট এ বেশি গিয়েছেন, কি কি পেজ bookmark করেছেন এবং সর্বশেষ কোন কোন পেজ close করেছেন…… ঠিক যেন Google Chrome এর মতোই।

 

এ লেখায় কোন ভুলত্রুটি থাকলে অনুগ্রহপূর্বক জানাবেন্‌ । সবাই ভাল থাকবেন।

বিঃ দ্রঃ    দুঃখের বিষয় হল টুলবারটি Mozilla Firefox 5 এ কাজ করেনা…তাই Firefox 4 বা তার আগের ভার্সন ব্যবহার করতে হবে।

মন্তব্য প্রয়োজন……………

ধন্যবাদ সবাইকে।

! স্বাগতম!

Welcome to WordPress.com. After you read this, you should delete and write your own post, with a new title above. Or hit Add New on the left (of the admin dashboard) to start a fresh post.

Here are some suggestions for your first post.

  1. You can find new ideas for what to blog about by reading the Daily Post.
  2. Add PressThis to your browser. It creates a new blog post for you about any interesting  page you read on the web.
  3. Make some changes to this page, and then hit preview on the right. You can alway preview any post or edit you before you share it to the world.